বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
ডলারের মতো টাকার মূল্যমান না বাড়লেও বাজারে টাকার দাম বাড়ছে ধীরে ধীরে। নগদ টাকার সংকট মেটাতে ব্যাংকগুলো আগের চেয়ে বেশি ধার করছে। এতেই কলমানি সুদের হার বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিচালনা পর্ষদের চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক মুনাফা যোগাতে চড়া সুদে ধার করে ব্যাংক পরিচালনা আর্থিক ব্যবস্থাকে নাজুক করেছে। বাড়িয়ে দিচ্ছে আস্থার সংকট।
রেমিটেন্স কেনা, রফতানি বিল নগদায়ন, ঋণপত্র খোলা, নিষ্পত্তি , সাথে গ্রাহকদের লেনদেনের বিষয়ও সবমিলিয়ে ডলারের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ ব্যাংকগুলো।
ডলার বিক্রি করে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় সোয়া এক লাখ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সঞ্চয় কমিয়েছে মানুষ। তাই আমানত প্রবৃদ্ধি কমে ৮ শতাংশে ঘরে। ব্যাংক ঋণের আদায়ও তলানিতে।
অথচ ঋণের চাহিদার কারণে বিতরণ প্রবৃদ্ধি ছাড়িয়েছে ১২ শতাংশ। সব মিলিয়ে জরুরি নগদ অর্থ বা তারল্য প্রয়োজনের কারণে সংকটে দেশের ব্যাংকিং খাত।
এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের টাকা ধার নেয়ার ব্যবস্থা ‘কলমানি’ বাজার হিসেবে পরিচিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ বাজার থেকে ১ থেকে ৭ দিন মেয়াদে সবচেয়ে বেশি টাকা ধার করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, মঙ্গলবার কলমানি বাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ধার করেছে বিভিন্ন ব্যাংক। যেখানে গড় সুদ ছিলো প্রায় সাত শতাংশ। ধারের এই প্রবণতা বাড়ছেই।